| বঙ্গাব্দ

ডা. শফিকুর রহমানের পিএস হলেন মুহাম্মদ ইব্রাহীম: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন | বাংলাদেশ প্রতিদিন

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-03-2026 ইং
  • 1539235 বার পঠিত
ডা. শফিকুর রহমানের পিএস হলেন মুহাম্মদ ইব্রাহীম: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন | বাংলাদেশ প্রতিদিন
ছবির ক্যাপশন: ডা. শফিকুর রহমান

বিরোধীদলীয় নেতার পিএস নিযুক্ত হলেন উপসচিব মুহাম্মদ ইব্রাহীম

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মুহাম্মদ ইব্রাহীম। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ, ২০২৬) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রশাসনিক আদেশ ও কার্যকরিতা

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব গোলাম মোরশেদ স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী মুহাম্মদ ইব্রাহীমকে বিরোধীদলীয় নেতার একান্ত সচিব (উপসচিব) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সংসদীয় কাঠামোয় এই নিয়োগটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিরোধীদলীয় নেতার পদমর্যাদা ও সংসদীয় অবস্থান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করলেও, সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জোট। সংসদের রীতি অনুযায়ী, জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বর্তমানে পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদায় বিরোধীদলীয় নেতার সকল সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। তার দাপ্তরিক কাজ ও সমন্বয়ের জন্য এই দক্ষ আমলাকে পিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো।

১৯৫০ থেকে ২০২৬: সংসদীয় গণতন্ত্র ও আমলাতন্ত্রের বিবর্তন

বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৫০-এর দশকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বিরোধীদলীয় নেতার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী ও চ্যালেঞ্জিং। ১৯৭১-এর স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে সংসদে বিরোধী দলের অবস্থান পরিবর্তিত হয়েছে। ১৯৯০-এর দশকে সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনর্জন্মের পর থেকে বিরোধীদলীয় নেতার দপ্তরে দক্ষ উপসচিব নিয়োগের একটি প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।

তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লব পরবর্তী ‘নতুন বাংলাদেশের’ প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের এই সংসদীয় চিত্র এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। ১৯৫০ সালে যা ছিল স্রেফ বিরোধী পক্ষ, ২০২৬ সালে তা রূপ নিয়েছে রাষ্ট্র সংস্কারের অন্যতম অংশীদারে। বর্তমান সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজে যে সমন্বয় দেখা যাচ্ছে, মুহাম্মদ ইব্রাহীমের মতো পেশাদার আমলার নিয়োগ সেই গতিশীলতাকে আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


সূত্র: ১. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত অফিশিয়াল প্রজ্ঞাপন (২৪ মার্চ ২০২৬)।

২. জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়।

৩. জাতীয় আর্কাইভস: বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ও বিরোধীদলের বিবর্তন (১৯৫০-২০২৬)।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency